ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জুড়ীতে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। Logo নভেম্বর-ডিসেম্বরে ফিরছেন তারেক রহমান, হবেন প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ূন কবির Logo জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি চায় জামায়াত Logo ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল, অক্টোবর পর্যন্ত নতুন ভোটার: ইসি Logo বিকালে চাঁদাবাজি নিয়ে লাইভ, রাতে প্রকাশ্যে সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা Logo বৈষম্যবিরোধী মামলায় জুড়ীর ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার Logo জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত, প্রকাশ যেকোনও দিন Logo জুড়ীতে সেফটি ট্যাংক থেকে মানি বেগ তুলতে গিয়ে নিহত ১ ,আহত ১ Logo জুড়ীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo নৈতিক শিক্ষা মানুষকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে -গোলজার আহমদ হেলাল

অন্যজনকে দিয়ে প্রাইমারি লিখিত পরীক্ষায় পাস মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১৯৮৬ বার পড়া হয়েছে

অন্যজনকে দিয়ে প্রাইমারি লিখিত পরীক্ষায় পাস মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা ২জন চাকরিপ্রার্থী

জাহাঙ্গীর আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অন্যজনকে দিয়ে পাস করে মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় (২৮) নামে এক চাকরিপ্রার্থী আটক হয়েছেন।

২৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে মনোরঞ্জনের হাতের লেখার সঙ্গে খাতার লেখা মেলানোর পর এই জালিয়াতি ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক ক‌রে পুলি‌শে সোপর্দ ক‌রে নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা।

আটক মনোরঞ্জন পীরগঞ্জ উপজেলার বাসুন্ডি গ্রা‌মের মৃত দিনেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে।

জেলা প্রাথ‌মিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য খন্দকার মুনছুর রহমান বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে জানান, লিখিত পরীক্ষার খাতার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময় হাতের লেখায় গড়মিল দেখা দেয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে তার হয়ে আরেকজন পরীক্ষা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি ।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় নামে একজনকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী ক্ষিতিস চন্দ্র রায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

একই অভিযোগে এর আগের দিন বুধবার প্রক্সি জালিয়াতিতে ধরা পড়েন মোছা. রোজি আক্তার (২৭)নামে আরেক চাকরি প্রার্থী। তিনি হরিপুর উপজেলার মেদনিসাগর গ্রামের ওবায়দুর রহমানের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অন্যজনকে দিয়ে প্রাইমারি লিখিত পরীক্ষায় পাস মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

অন্যজনকে দিয়ে প্রাইমারি লিখিত পরীক্ষায় পাস মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা ২জন চাকরিপ্রার্থী

জাহাঙ্গীর আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অন্যজনকে দিয়ে পাস করে মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় (২৮) নামে এক চাকরিপ্রার্থী আটক হয়েছেন।

২৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে মনোরঞ্জনের হাতের লেখার সঙ্গে খাতার লেখা মেলানোর পর এই জালিয়াতি ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক ক‌রে পুলি‌শে সোপর্দ ক‌রে নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা।

আটক মনোরঞ্জন পীরগঞ্জ উপজেলার বাসুন্ডি গ্রা‌মের মৃত দিনেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে।

জেলা প্রাথ‌মিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য খন্দকার মুনছুর রহমান বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে জানান, লিখিত পরীক্ষার খাতার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময় হাতের লেখায় গড়মিল দেখা দেয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে তার হয়ে আরেকজন পরীক্ষা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি ।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় নামে একজনকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী ক্ষিতিস চন্দ্র রায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

একই অভিযোগে এর আগের দিন বুধবার প্রক্সি জালিয়াতিতে ধরা পড়েন মোছা. রোজি আক্তার (২৭)নামে আরেক চাকরি প্রার্থী। তিনি হরিপুর উপজেলার মেদনিসাগর গ্রামের ওবায়দুর রহমানের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।